বালিতে পিন মারা পাল আর ভেতরে ভাগ করা বড় কাজ
সাগরপাড়ের ওয়ার্কশপে আধাখানা পাল হঠাৎ বাতাসে ফট করে চাবুকের মতো উঠল। একজন লোক একা পালটা মেলে ধরতে গেলেই সেটা ভাঁজ হয়ে ফিরে আসে। তাই সবাই বালিতে আলাদা আলাদা প্যানেল পিন দিয়ে চেপে ধরে, তারপর সেলাই করে, আর জোড়ায় এসে টান মিলিয়ে দেখে।
বড় ভাষার যন্ত্রকে শেখাতে গেলেও এমনই বাধা আসে। একটামাত্র গ্রাফিক্স কার্ডে জায়গা ফুরিয়ে যায়, শুধু ভেতরের সংখ্যার জন্য না, শেখার সময় যে বাড়তি হিসাব রাখতে হয় সেটার জন্যও। আগে উপায় ছিল ছোট করে রাখা, বা ভাগ করে চালাতে গিয়ে অনেক অপেক্ষা আর ঝামেলা বাড়ানো।
নতুন ভাবনাটা পালকে যেমন প্যানেলে ভাগ করা, তেমনি প্রতিটা বারবার-ফেরা অংশের ভেতরেই কাজটা কেটে দেওয়া। এখানে পাল-প্যানেল মানে ওই অংশের ভেতরের অঙ্কের টুকরো, সেলাইয়ের লাইন মানে বড় গুণগুলোর ভাগ, আর জোড়ায় টান মেলানো মানে মেশিনগুলো আংশিক ফল একসাথে করা। ঠিক কাটলে, অল্প কয়েকবার দেখা করেই কাজটা অনেক হাতে ধরে যায়।
ওই অংশের ভেতরে দুটো ভারী জায়গা থাকে: একটা চওড়া হিসাবের অংশ, আরেকটা এমন অংশ যা বাক্যের কোন দিকটা ধরবে সেটা ঠিক করে। ভাগটা এমনভাবে করা হয় যাতে প্রতিটা মেশিন নিজের টুকরোটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চালায়, তারপরই শুধু জোড়ার মিল। চওড়া অংশে মাঝের চেপে-ধরা ধাপটা সবাই নিজের টুকরোয় করে, পরে একবার যোগ করে।
বারবার জোড়ায় ডাকতে না হয়, কিছু ছোট কাজ সবাই আলাদা করে একইভাবে করে নেয়, যেমন প্রত্যেক সেলাইকারী নিজের ফিতা দিয়ে দাগ টানে। এখানে কিছু হালকা ধাপ কপি করে রাখা হয়। শেষের শব্দ বাছাইও এমনভাবে সাজানো হয় যাতে বিশাল স্কোরের তালিকা এক জায়গায় টানতে না হয়; দরকারি অংশ মিলিয়ে শুধু ভুল-ঠিকের হিসাবটা বের হয়।
দল বড় হলেও সমুদ্রতটটা বিশৃঙ্খলা হয় না, কারণ কারও হাতে পুরো পালটা একা সামলাতে হয় না। এভাবে অনেক গ্রাফিক্স কার্ড একসাথে ব্যস্ত রাখা গেছে, আর জোড়ার অপেক্ষায় সময় তুলনায় কম নষ্ট হয়েছে। পালটা বড় হলেও টান ঠিক থাকলে যেমন মসৃণ থাকে, তেমনি বড় হলে এই ধরনের ভাষার যন্ত্রও লেখার সাথে কম হোঁচট খায়, আর একটা ছোট সাজানো বদল বড় আকারে দুলুনি কমায়।