বিশাল হেলিকপ্টার নাকি ছোট দল? উদ্ধারের নতুন সমীকরণ
পাহাড়ের নিচে উদ্ধারকারী দল তৈরি হচ্ছে। একদল বিশাল হেলিকপ্টারে ভারী যন্ত্রপাতি তুলছে, তাদের ইঞ্জিনের শব্দে কান পাতা দায়। অন্য কোণে দুজন উদ্ধারকারী চুপচাপ হালকা ব্যাগে শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে নিচ্ছে। তারা পায়ে হেঁটে দ্রুত রওনা দেবে।
সবাই ভাবত বড় হেলিকপ্টারই সেরা কারণ তার শক্তি বেশি। কিন্তু সরু খাদে আটকে পড়া কাউকে খুঁজতে গেলে এই বিশাল আকারই সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে পৌঁছাতে প্রচুর জ্বালানি পোড়ে, অথচ ওপর থেকে নিচের দৃশ্য খুব একটা পরিষ্কার দেখা যায় না।
নতুন স্টেশন চিফ এসে নিয়মটা বদলে দিলেন। তিনি শুধু দেখলেন না কে সবচেয়ে শক্তিশালী। তিনি হিসাব করলেন, কে কত কম সরঞ্জাম নিয়ে সবচেয়ে ভালো কাজ করতে পারে। শক্তির চেয়ে নিখুঁত কাজের গুরুত্ব বেড়ে গেল।
হিসাব কষে দেখা গেল অবাক করা তথ্য। হেলিকপ্টার হয়তো নিরানব্বই ভাগ সফল, কিন্তু খরচ আকাশছোঁয়া। অন্যদিকে ছোট দলটি প্রায় একই রকম সফল, অথচ খরচ নামমাত্র। সামান্য একটু বাড়তি ফলের জন্য এত বিশাল আয়োজনের মানে হয় না।
পরীক্ষায় দেখা গেল, বেশি যন্ত্রপাতি চাপালেই কাজ ভালো হয় না। বরং ছোট দলটি পুরনো ম্যাপ ব্যবহার করে দ্রুত পথ খুঁজে নেয়। প্রতিবার নতুন করে পুরো পাহাড় জরিপ করার চেয়ে এটা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ।
এই নতুন ভাবনা প্রমাণ করল, ছোট ও দক্ষ দল বিশাল বাহিনীর চেয়ে কম নয়। এর মানে হলো, গ্রামের ছোট হাসপাতালেও এখন বড় শহরের মতো নিখুঁত রোগ নির্ণয় সম্ভব, বিশাল খরচে সুপারকম্পিউটার ছাড়াই।